শনিবার (৪ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধানের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, এবারের সম্মেলনের মূলমন্ত্র নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। অনুষ্ঠানের ব্যানারে জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে ইতিহাস বদলে দেওয়া অনুপ্রেরণা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে এই সভায় জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। আয়োজনে মন্ত্রিসভার সদস্য, শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। স্মরণসভায় স্মরণ করা হয় যে, আন্দোলন দমাতে তৎকালীন সরকারের চরম বলপ্রয়োগ, গুলি ও ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ হিতে বিপরীত হয়। ১৬ জুলাই পুলিশের গুলিতে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ নিহত হওয়ার পর আন্দোলন গণবিস্ফোরণে রূপ নেয় এবং মাত্র ২০ দিনের মাথায় আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। উল্লেখ্য, সরকারের প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৪ জন। তবে জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে নিহতের সংখ্যা ১৪০০ জনেরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা দেওয়া হয়েছে।