অপরাধ পরিসংখ্যান
ইন্টারেক্টিভ বিশ্লেষণ ও তথ্যাবলি • ২০২৬
মোট মামলা
11,011
মাদক
3,931
হত্যাকান্ড
178
ধর্ষণ
491
নারী-শিশু
660
অপহরণ
132
প্রধান রেখাচিত্র
মোট মামলা (মাসিক)
TRENDঅপরাধ বিভাজন
TOP 6বাংলাদেশের বিভাগীয় অপরাধ হিটম্যাপ ও র্যাঙ্কিং
বিভাগগুলোর উপর ক্লিক বা হোভার করে ২০২৬ সালের হত্যাকাণ্ডের পরিসংখ্যান, ঝুঁকি মাত্রা ও প্রধান অপরাধের ধরন দেখুন

ঢাকা বিভাগ
(Dhaka Division)ঘনবসতিপূর্ণ ঢাকা মহানগরীর প্রভাবে দেশের সর্বোচ্চ অপরাধ প্রবণ অঞ্চল। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধেই ৪১১টি হত্যাকাণ্ড (দেশের মোট খুনের ২৩%-এর বেশি), ব্যাপক মাদক বিস্তার, চাঁদাবাজি এবং সশস্ত্র ছিনতাইয়ের শীর্ষে।
ঘনবসতিপূর্ণ ঢাকা মহানগরীর প্রভাবে দেশের সর্বোচ্চ অপরাধ প্রবণ অঞ্চল। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধেই ৪১১টি হত্যাকাণ্ড (দেশের মোট খুনের ২৩%-এর বেশি), ব্যাপক মাদক বিস্তার, চাঁদাবাজি এবং সশস্ত্র ছিনতাইয়ের শীর্ষে।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক ও নগর কেন্দ্র হিসেবে সহিংস অপরাধে ঢাকার ঠিক পরেই (প্রথমার্ধে ৩৬৩টি হত্যাকাণ্ড, ২০.৩%)। রাজনৈতিক উপদলীয় সংঘাত এবং অরক্ষিত সীমান্ত পথে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান প্রধান কারণ।
২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ১৮৩টি হত্যাকাণ্ড (১০.২%) রেকর্ড হয়েছে। মূলত জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার এবং চুরির উচ্চ হারের কারণে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
প্রথমার্ধে ১৭৩টি হত্যাকাণ্ডসহ (৯.৭%) মাঝারি থেকে উচ্চ অপরাধ প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর এলাকা নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তঃসীমান্ত চোরাচালান এখানকার প্রধান অপরাধ উৎস।
বছরের প্রথমার্ধে ১১০টি হত্যাকাণ্ডসহ (৬.১%) নিম্ন-মধ্যম অপরাধ বলয়ে অবস্থান করছে। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ এবং পারিবারিক সহিংসতাই এখানকার পরিসংখ্যানের প্রধান অংশ।
মোট সংখ্যায় ৬ষ্ঠ স্থানে (১০৮টি হত্যাকাণ্ড, ৬.০%) থাকলেও জনসংখ্যার অনুপাতে ডাকাতি, রাহাজানি এবং ভূমি মালিকানা সংক্রান্ত সহিংসতায় উচ্চ ঝুঁকি দেখা যায়।
পূর্বপরিকল্পিত সহিংসতা ও সংঘবদ্ধ গ্যাং অপরাধের দিক থেকে তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল। প্রথমার্ধে ১০৫টি (৫.৯%) প্রধান হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।
সারাদেশের মধ্যে সর্বনিম্ন মোট অপরাধ প্রবণ বিভাগ (#৮ — ১০২টি হত্যাকাণ্ড, ৫.৭%)। বড় ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ কম হলেও নদীপথ ও স্থানীয় বিরোধকেন্দ্রিক বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে।