দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক করেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে অভিজিৎ দীপক তরুণদের আন্দোলনের প্রশংসা করেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বৈঠকের পর মমতা জানান, বিরোধীদের পরবর্তী কর্মসূচিতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিরা সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "তরুণদের উদ্যোগ ও আন্দোলনের প্রশংসা করে আমি গর্বিত। তাদের নিয়ে আমার গর্ব। ভবিষ্যতেও সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিচ্ছি।" তিনি ককরোচ জনতা পার্টির নেতাদের পশ্চিমবঙ্গে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান এবং দেশের স্বার্থে তরুণেরা ইতিবাচক ভূমিকা রাখছেন বলে মন্তব্য করেন। তবে কলকাতায় দলটির পক্ষ থেকে কোনো কর্মসূচি বা সভা আয়োজন হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট নেতারাই নেবেন বলে জানান তিনি। অভিজিৎ দীপক বলেন, "তরুণদের আন্দোলনের প্রতি আমার সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। সৌরভ ও আশুতোষ গ্রেফতার হওয়ার সময়ও মমতা তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। এসব কারণে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এই সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়েছে।" মমতা বলেন, "তরুণদের পাশে দাঁড়ানো আমার নৈতিক দায়িত্ব।" গত ১৬ অক্টোবর দিল্লি পুলিশ অভিজিৎ দীপককে আটক করে। জাতীয় পতাকা হাতে রাখার কারণে তাকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানান এবং প্রশ্ন তোলেন, "স্বাধীন ভারতে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কেন তরুণদের আটক হতে হবে? ভিন্নমত পোষণকারীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে দমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে।" এর আগে অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে ভারতের তরুণ প্রজন্মের সাহস, বিবেক ও আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন মমতা। তিনি বলেছিলেন, "তরুণদের কণ্ঠরোধ করে গণতন্ত্রের চেতনাকে স্তব্ধ করা সম্ভব নয়।"