ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ঠিক আগের দিন
রাশিয়ার বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কেঁপে উঠলো ইউক্রেনের রাজধানী
কিয়েভ। এতে অন্তত
১১ জন নিহত এবং
৪৬ জন আহত হয়েছেন। সম্মেলনের ফাঁকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট
ভলোদিমির জেলেনস্কি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের কথা রয়েছে।
উদ্ধারকাজ চলছে ২০টিরও বেশি স্থানে
সোমবার (৬ জুলাই) কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান
তিমুর তকাচেঙ্কো এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শহরের
২০টিরও বেশি স্থানে উদ্ধারকাজ চলছে। হামলায় অন্তত দুটি জেলায়
বহুতল আবাসিক ভবন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কিয়েভের মেয়র
ভিতালি ক্লিচকো জানান,
রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে শহরের বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন লাগে। এতে আবাসিক ভবনের পাশাপাশি
কয়েকটি গুদামঘর ও একটি
গ্যারেজ ওয়ার্কশপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঝাপোরিঝঝিয়ায় গাইডেড বোমা হামলা: পুলিশ কর্মকর্তা নিহত
এদিকে, রোববার সন্ধ্যায় ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয়
ঝাপোরিঝঝিয়া শহরেও রাশিয়ার গাইডেড বোমা হামলায় এক
পুলিশ কর্মকর্তা নিহত এবং দুই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় দুই শিশুসহ অন্তত
১৩ জন আহত হয়েছেন। হামলায় আবাসিক ভবন ও বহু অ্যাপার্টমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কস্তিয়ানতিনিভকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন দাবি মস্কোর
অন্যদিকে, পূর্ব ইউক্রেনের কৌশলগত শহর
কস্তিয়ানতিনিভকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে দাবি করেছে মস্কো। রাশিয়ার দাবি, শহরটি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নিহত ইউক্রেনীয় সেনাদের মরদেহ হস্তান্তরের জন্য সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে ইউক্রেন সে প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র
দিমিত্রি পেসকভ বলেন,
সীমান্তবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে ইউক্রেন সীমান্তজুড়ে একটি ‘বাফার জোন’ গড়ে তোলা হচ্ছে।
তবে এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট
ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ করেন,
কস্তিয়ানতিনিভকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করতে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে মস্কো।